পাবনা প্রতিনিধিঃ বিএমটিভি নিউজঃ উত্তর জনপদ বগুড়ায় অবস্থিত দেশের শীর্ষ স্থানীয় এনজিও টিএমএসএসের পাবনা জেলার সাথিয়া উপজেলার বনগ্রাম শাখার ঋণগ্রহীতা রসুলপুর গ্রামের মোছাঃ জয়তুন খাতুন এর বেতশিল্প সম্প্রতি আকস্মিক পরিদর্শন করেন আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের সাবেক পরিচালক, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি ও টিএমএসএস ইনফরমেশন ইনটেলিজেন্ট এজেন্ট আব্দুল খালেক খান। মাঠ পর্যায়ে ঋন কার্যক্রম পরিদর্শনের সময় আব্দুল খালেক খানের সাথে উপস্থিতি ছিলেন টিএমএসএসের সুজানগর এরিয়া প্রধান মোঃ আতিকুর রহমান ও শাখা প্রধান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। এরিয়া প্রধান মোঃ আতিকুর রহমান জানান এ শাখার মাধ্যমে ১৬২১ জন সুবিধাভোগী সদস্যদের মধ্যে প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা বিভিন্ন প্রকল্পে ঋণ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। এ শাখার বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায় রসুলপুর গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলামের স্ত্রী মোছাঃ জয়তুন খাতুন। জয়তুন খাতুন ২০১৬ সালে টিএমএসএসের বনগ্রাম শাখা থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে বেতশিল্পের কাজ শুরু করেন। তিনি নিয়মিত গ্রাহক সদস্য এবং তার এ শিল্পে বেতের ট্রে,ফল ও ফুলদানী,দইয়ের খুটি,চায়ের কাপসহ নানা সামগ্রী তৈরি করা হয়। বর্তমান জয়তুন খাতুন টিএমএসএসের বনগ্রাম শাখার ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছেন। তিনি টিএমএসএসের ঋণের টাকায় অবলুপ্ত বেতশিল্পের বিভিন্ন কাজ করে এখন স্বাবলম্বি। বর্তমান তার এ বেতশিল্পে পুরুষ নারী মিলে ৩০ থেকে ৩৫ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছে। তার প্রতি মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা আয় হচ্ছে। মোছাঃ জয়তুন খাতুনের বেত শিল্পের কাজ পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেন টিএমএসএস ইনফরমেশন ইনটেলিজেন্ট এজেন্ট আব্দুল খালেক খান। পরে এ উপলক্ষ্যে কর্মকর্তা ও উপকার ভোগী সদস্যদের সাথে ঋন বিতরন,খেলাপি,মেয়াদোর্ত্তীণ ঋণ আদায় ও ঋণের টাকা যথাযথ প্রকল্পে প্রয়োগ শীর্ষক মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। আব্দুল খালেক খান কর্মকর্তা ও সদস্যদের নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব কাজ করার আহবান জানান। খেলাপি ও মেয়াদ উত্তীর্ণ ঋন আদায়ে সদস্যদের সাথে আচার-আচরণে যত্নশীল হওয়ার জন্য তিনি কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেন। সদস্যদের মধ্যে ক্ষুদ্র,ক্ষুদ্র সঞ্চয়,হাঁস,মুরগী পালন, সংগঠনের বিভিন্ন আমানত প্রকল্পে অর্থ বিনিয়োগ করতে সদস্যদের পরামর্শ দেন। টিয়া প্রতিনিধি এলাকায় ঋণ কর্মসূচি,খেলাপি ও মেয়াদোর্ত্তীন ঋণ আদায় কার্যক্রম জোরদার করা এবং নতুন ভাবে ঋণ খেলাপি না হওয়ায় দিকে নজর রাখতে কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানান। সদস্যরা যে যে প্রকল্পে ঋণ নিয়েছে তারা যেন সে প্রকল্পেই ঋণের টাকা বিনিয়োগ করেন তা তদারকি করার জন্য তিনি কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেন। শেষে এক প্রশ্নের জবাবে জয়তুন খাতুন জানান আমি টিএমএসএস থেকে ঋণ নিয়ে যথাযথ প্রকল্পে বিনিয়োগ করে এখন স্বাবলম্বি। স্বামী ও তিন সন্তান নিয়ে এখন সুখী জীবন যাপন করছি। আমি টিএমএসএসের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।