বিএমটিভি নিউজ ডেস্কঃ এখন থেকে ঋণ নিতে পারবেন মোবাইল ব্যাংকিং গ্রাহকরাও। সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত এ ঋণ দেয়া হবে। এ স্কিমের নাম দেয়া হয়েছে ‘ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ’। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে এর অর্থায়ন হবে। এ জন্য ১০০ কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন করা হয়েছে। সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনকে বিবেচনায় নিয়ে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে এক প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এ স্কিম হতে প্রথম পর্যায়ে ৫০ কোটি টাকা বিতরণ হবে। এর সুষ্ঠু ব্যবহার হলে দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ৫০ কোটি টাকা পুনঃঅর্থায়ন হবে। ভবিষ্যতে চাহিদা বিবেচনায় বাড়ানো হবে এ অর্থায়নের পরিমাণ। এ স্কিমের আওতায় তহবিলের মেয়াদ হবে তিন বছর। গ্রাহক পর্যায়ে এর সুদের হার হবে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সব তফসিলি ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত পুনঃঅর্থায়ন সুবিধার ওপর ১ শতাংশ হারে সুদ আরোপ হবে। ব্যাংক এবং গ্রাহক উভয় পর্যায়ে ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ছয় মাস। ঋণ প্রসেসিং থেকে শুরু করে ঋণ আদায় পর্যন্ত সব কিছু ডিজিটাল পদ্ধতিতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক সময়ে সময়ে গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের পরিমাণ কমাতে বা বাড়াতে পারবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ঋণের সহজলভ্যতা ও ব্যাংকের তহবিল ব্যয় হ্রাস করে ‘ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ’ প্রদানে এই স্কিম গঠন করা হয়েছে। ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারার আওতায় এ নির্দেশনা জারি করা হলো। যা কার্যকর হবে অবিলম্বে।
‘ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ’ হচ্ছে- ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল অ্যাপ, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস), ই-ওয়ালেট ইত্যাদি ব্যবহার করে তফসিলি ব্যাংক থেকে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান করা। ঋণ বিতরণকারী সব তফসিলি ব্যাংক এ সুবিধা গ্রহণের যোগ্য বলে বিবেচিত হবে। পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণে আগ্রহী ব্যাংককে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্টের (এফআইডি) সঙ্গে একটি চুক্তি করতে হবে।