আব্দুল খালেক পিভিএম ।। ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের জাতীয় সম্মেলন ২৬/৬/২২ তারিখ অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। এ দিবসটিকে বণার্ঢ্য করার জন্য বহুমুখী সচেতনতা মূলক কর্মকান্ডের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে মাদক বিরোধী তৎপরতার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ছাত্র-ছাত্রী,ব্যক্তিত্বকে স্বীকৃত ও পুরস্কৃত করা হয়।সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে উত্তর জনপদ বগুড়ায় অবস্থিত দেশের শীর্ষ স্থানীয় এনজিও টিএমএসএসের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক ও আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের পরিচালক অধ্যাপিকা ড.হোসনে-আরা বেগম তাঁর বক্তব্যে উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মুখ্যত, ডিমান্ড রিডাকশন, সাপ্লাই রিডাকশন ও হার্ম রিডাকশন। ডিমান্ডের জন্ম হয় অভাব থেকে,অভাবের আধিক্য হয় অত্যাভিলাষ, অধিক চাওয়া, পাওয়া, অসম্ভবকে পেতে চাওয়া এবং গণভাবে পাঁচটি মৌলিক চাহিদার অভাব সকল প্রকার অভাব অপূরণে হতাশার জন্ম নেয়।হতাশা লাঘব করার জন্য পুলকিতভাবেই হোক আর পরিকল্পিতভাবেই হোক যুব সমাজ মাদকের দিকে অগ্রসর হয়।এক সময় এ মাদকই মাদকসেবীদেরকে বশীভূত করে ফেলে।তারাই হচ্ছে এ্যাডিক্টেড।এ্যাডিক্টেড ব্যক্তির ক্ষতি লাঘবের জন্য অধিদপ্তর ব্যাপক কাজ করে চলছে। দুঃখের বিষয় বাংলাদেশে মাদক উৎপাদন না হলেও চাহিদার কারণে সরবরাহ বেশী হচ্ছে। সরবরাহ ঠেকানোর জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সর্বসাধারণকে সমন্বিত ভূমিকা রাখতে হবে।
মানুষের স্বাভাবিক ও অস্বাভাবিক চাহিদা এ সবকিছুর উৎস কর্মসংস্থান হীনতা, যা দূর করণের জন্য ক্ষুদ্র এবং মাঝারী উদ্যোক্তাদেরকে নীতি সহায়তা, উপাদান সহায়তা সরকারের দিতে হবে। আগামী বাজেটে তার প্রতিফলন থাকতে হবে।
এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রতিনিধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান,ছাত্র-ছাত্রী, গন্যমান্য ব্যক্তবর্গ, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, এনজিও কর্মী, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধি সহ নির্বাহী পরিচালকের একান্ত সচিব মোঃ ফেরদৌস রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।