নতুন বাজার মোড় হতে রেলগেট পর্যন্ত ৩৫০ মিটার সড়ক এখন মরণফাঁদঃ যানবাহন ও পথচারীদের অবর্নণীয় দুর্ভোগ

নতুন বাজার মোড় হতে রেলগেট পর্যন্ত ৩৫০ মিটার সড়ক এখন মরণফাঁদঃ যানবাহন ও পথচারীদের অবর্নণীয় দুর্ভোগ

BMTV Desk No Comments

মতিউল আলম, বিএমটিভি নিউজঃ
ময়মনসিংহ নগরীর ব্যস্ততম সড়ক নতুন বাজার ট্রাফিক মোড় হতে রেলগেট পর্যন্ত ৩৫০ মিটার সড়কের নির্মাণ কাজ প্রায় ২বছরেও শেষ না হওয়ার যানবাহন ও পথচারীদের অবর্নণীয় দুর্ভোগ পাহাতে হচ্ছে। রেলগেটথাকার কারণে প্রতিদিন ১৭ বার ট্রেনে আসা-যাওয়ার ফলে রাস্তাটি বন্ধ হয়। ধীর গতির কারণে যানজট লেগেই থাকে।

চুক্তি অনুযায়ী ২০২৪ ডিসেম্বরের মাসে মধ্যে কাজের মেয়াদ শেষ হবে। সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, ঠিকাদারকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সড়ক নির্মাণ কাজ শেষ করার জন্য চিঠি দিয়েছেন। কিন্তু ঠিকাদার তাগিদকে গুরুত্ব না দিয়ে দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ রেখেছে। এনিয়ে ভুক্তভোগীরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, প্রয়োজনে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়া হোক। নির্মাণ কাজ শেষ না করে ফেলে রাখার কারণে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়ে যান চলাচল দুর্বিসহ হয়ে পড়েছে। ঘটছে দুর্ঘটনা। ধুলাবালিতে অসুস্থ হচ্ছে মানুষ।

২০২২ সালে নতুন বাজার রেলগেট হতে ব্রহ্মপুত্র নদ পর্যন্ত সাড়ে ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৪০০ মিটার আরসিসি পাইপ ড্রেন নির্মাণ নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ১৪৩৫ মিটার সড়ক ৭ কোটি ৩৮ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে সড়ক নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করে।

ব্রহ্মপুত্র নদ হতে নতুন বাজার ট্রাফিক মোড় পর্যন্ত কাজটি সম্পন্ন হলেও নতুন বাজার ট্রাফিক মোড় হতে নতুন বাজার রেলগেট পর্যন্ত কাজটি প্রায় ২বছরেও সম্পন্ন হয়নি। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ফরিদপুর জান্নাত কন্ট্রাকশান” এর ঠিকাদার সজীব খান গত ২০২২ সালের ১১ এপ্রিল কাজটি ওয়ার্ক অর্ডার পান। কাজটি শেষ করার মেয়াদ হবে ২০২৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর । কাজটি মেয়াদ শেষ হতে আর আছে মাত্র ৩০ দিন। প্রধান প্রকৌশলী ও মানবজমিনের প্রতিবেদক একাধিকবার ঠিকাদার সজীব খানকে ফোন দিলেও ফোন রিসিভ করেননি।


সড়কের পাশে বসবাসরত স্থানীয়রা জানান, বৃস্টি হলে কাঁদা হয় ও রুদ্র হলে ধুলাবালি উড়ে। বাসাবাড়িতে ধুলাবালিতে ভরে যায়।ভাঙ্গাচুরার কারণে সড়কে সার্বক্ষনিক যানজট লেগে থাকে। পথচারীরা চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটে। পাশে বাউন্ডারী রোড ২শতাধিক কোচিং সেন্টার ও প্রাইভেট স্কুলে পড়তে হাজার হাজার শিক্ষার্থী অভিভাবক যাতাযাত করে এই রাস্তা দিয়ে। তারা ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। সড়কটি শহরের কেন্দ্র স্থল হওয়ার রোগী নিয়ে এম্বুলেন্স চলাচল করতে হয় এই রাস্তায় । রাস্তাটির গুরুত্ব অনুধাবণ করে দ্রুত কাজ করার জন্য বিভাগীয় কমিশনার ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোখতার আহমদ এর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী নগরবাসী । ##