রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ‘ সাম্প্রদায়িক কার্ড ‘ অচল হয়ে পড়েছে—প্রিন্স

image

You must need to login..!

Description

স্টাফ রিপোর্টার, বিএমটিভি নিউজঃ 

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, উস্কানী দিয়ে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সংঘাত সৃস্টি করা যাবে না। ছাত্র জনতার গণ বিপ্লবে পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ‘ সাম্প্রদায়িক কার্ড ‘ অচল হয়ে পড়েছে। এই বিপ্লবে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃস্টান এবং পাহাড় ও সমতলের সকল শ্রেনী-পেশার ও সম্প্রদায়ের মানুষ সম্পৃক্ত ছিলো।
তিনি আজ সন্ধ্যায় ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার শাকুয়াই ইউনিয়নে বন্দের পাড়া হরিবাশর মন্দিরে নাম কীর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন । এমরান সালেহ প্রিন্স কীর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলে ঢাক-ঢোল বাজনা বাজিয়ে, হিন্দু নারীরা উলুধ্বনি দিয়ে তাকে স্বাগত জানায় ।
অনুষ্ঠানে এমরান সালেহ প্রিন্স হিন্দু সম্প্রদায়ের জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন,’ ভয়-ভীতি,শঙ্কার কিছু নাই। সকলে স্বাধীন ভাবে ধর্ম- কর্ম করেন।বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জল দৃষ্টান্ত ।দেশী-বিদেশী স্বার্থান্বেষী মহল চক্রান্ত করছে এই সম্প্রীতি বিনষ্ট করে সাম্প্রদায়িক সংঘাত সৃস্টি করে পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তিকে পূনর্বাসন করতে। সকলকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে ।’তিনি বলেন, ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না। সাম্প্রদায়িক সংঘাত সৃস্টির যে কোনো অপচেষ্টা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ করা হবে। তিনি হরিবাশরের এই কীর্তন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে
নির্মানাধীন প্রতীমা ভাংচুরের কথা উল্লেখ করে বলেন, দুস্কৃতিকারীরা কীর্তন অনুষ্ঠান বানচাল করে হিন্দুদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক উস্কানী,উত্তেজনা সৃস্টির পাঁয়তারা করেছিলো। কিন্তু বিএনপি,প্রশাসন,আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, সেনাবাহিনী সকলে আমরা সম্মিলিত ভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলাম ,সে জন্য গত বছরের থেকেও বেশী ভক্ত ও অনুসারীদের উপস্থিতিতে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে
নির্বাধায়,নির্বিঘ্নে ভায়-ভীতিহীনভাবে কীর্তন অনুষ্ঠান চলছে। এটাই বাংলাদেশের প্রকৃত চিত্র । তিনি এজন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানান । এসময় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা ভজন সরকার , সজল সরকার, রঞ্জন সরকার, প্রবোধ সরকার, বিপ্লব সরকার, সুমন সরকার, সুভাষ সরকার, সুব্রত পাল এবং বিএনপি নেতা আবু হাসনাত বদরুল কবির, আবদুল হাই ,আবদুল আজিজ খান , আনোয়ার হোসেন , শহীদুল হক খান সুজন, আমজাদ হোসেন, নূরে আলম জনি , আতিক আলী সিদ্দিকী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।

প্রধান সম্পাদকঃ
মতিউল আলম

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মাকসুদা আক্তার