নান্দাইলে ইফতার মাহফিলকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ ১৪৪ ধারা জারি ১ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০

image

You must need to login..!

Description

মোঃ রফিকুল ইসলাম খোকন নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ

ময়মনসিংহের নান্দাইলে ইফতার মাহফিলের আয়োজনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে লাদেন মিয়া(৩০) নামে এক যুবদলকর্মী গুলিবিদ্ধসহ ১০ জন আহত হয়েছে ।
১৯ মার্চ বুধবার ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে বিকেলে পৌর এলাকার সরকারি শহীদ স্মৃতি আদর্শ ডিগ্রি কলেজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পৌর এলাকায় রাত ৮টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় পুলিশ।গুলিবিদ্ধ লাদেন মিয়া পৌরসভার দশালিয়া এলাকার বাসিন্দা। সে যুবদলকর্মী বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নান্দাইল পৌর এলাকার শহীদ স্মৃতি আদর্শ ডিগ্রি কলেজ মাঠে বুধবার সন্ধ্যায় ইফতার অনুষ্ঠানের আয়োজন করে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি। অপর দিকে একই সময়ে ওই স্থানেই ইফতার অনুষ্ঠানের ঘোষণা করেন বিএনপির পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা। ইয়াসের খান চৌধুরীকে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির ঘোষণার পর থেকেই ওই কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিল পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা।
আহ্বায়ক কমিটি ইফতার আয়োজন করলে দুপুরের পর থেকে নতুন বাজার এলাকায় দুটি পক্ষ অবস্থান নেয় এবং দুপক্ষের মারমুখী অবস্থানে উত্তেজনা শুরু হয়। বিকেল ৪টার পর দুপক্ষের উত্তেজনার একপর্যায়ে বিএনপির পদবঞ্চিত নেতাকর্মী এবং আহ্বায়ক কমিটির নেতাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

এ সময় লাদেন মিয়া নামে এক যুবদলকর্মী গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। এ অবস্থায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার মুখে ১৪৪ ধারা জারির বিষয়টি মাইকের মাধ্যমে জানিয়ে তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় পুলিশ। গুলিবিদ্ধ যুবদলকর্মী লাদেনকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার সারমিনা সাত্তার বলেন, বিএনপি’র দুই গ্রুপের উত্তেজনা বিরাজ করছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য রাত ৮টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারী করা ছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গৌরীপুর সার্কেল) দেবাশীষ কর্মকার বলেন, ‘ইফতার মাহফিলকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ আমরা শুনতে পেয়েছি। একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে খবর পেয়েছি। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে।

প্রধান সম্পাদকঃ
মতিউল আলম

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মাকসুদা আক্তার